• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

রানীরবন্দরে পল্লী বিদ্যুত গ্রাহকদের মানববন্ধন

রানীরবন্দরচিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার রাণীরবন্দরে ব্রয়লার ও লেয়ার অস্বাভাবিক মুল্য বৃদ্ধি ও খামারীদের বিদ্যুৎ বিলের সাথে পল্লী বিদ্যুতের অহেতুক জরিমানার প্রতিবাদে ব্রয়লার ও লেয়ার খামারীরা মানববন্ধন ও সমাবেশ আয়োজন করে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টায় রানীরবন্দর জোনাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর অফিসের সামনে  পল্লী বিদ্যুতের অহেতুক জরিমানার প্রতিবাদে ব্রয়লার ও লেয়ার খামারীরা মানববন্ধন করেন । মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন  বিশিষ্ট খামারীবৃন্দ মো: জামাল উদ্দিন , মো:আজিজার রহমান মো: সাজেদুল ইসলাম ও মমিনুল ইসলাম ছাড়াও আরো অনেকে মুল্যবান বক্তব্য রাখেন  । তারা অভিযোগ করে বলেন, রানীরবন্দর জোনাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ দূর্নীতির আখরায় পরিনিত হয়েছে। তাদের কারনে আমদের অহেতুক টাকা গুনতে হচ্ছে। আমাদের বিদ্যুৎ সংযোগ আবাসিক এর অত্ততায় থাকলে তা পরে কৃষি সেচ এর আত্ততা ভুক্ত না করে, সামান্য খামারী ব্যবসায়িক হলেই বাণ্যিজিক সংযোগ করে দিচ্ছে এতে করে বিদ্যুৎবিল অধিক হারে বদ্ধি পাচ্ছে , খামারীরা অভিযোগ করে বলেন, আবাসিক ও কৃষি সেচ এর আত্ততায় সংযোগ করতে চাইলে ৫ শত থেকে ১ হাজার টাকা পল্লী বিদ্যুতকে ঘুষ দিতে হচ্ছে। এ দিকে আবাসিক সংযোগ ৮০ ইউনিটের বেশী হলে কৃষি সেচ এর আ্ত্ততা যুক্ত হাওয়ার নিয়ম আছে । কিন্তু সে নিয়ম না মেনে ৩০ থেকে ৪০ ইউনিট হলেই আবাসিক থেকে বান্যিজিক করে দেওয়া হচ্ছে অন্যথায় গুনতে হচ্ছে অহেতুক জরিমানা। অপর দিকে অস্বাভাবিক হারে ব্রয়লার ও লেয়ার বাচ্ছার মুল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত বছর মুল্য  ছিলো বাচ্ছা প্রতি ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা কিন্তুু এ বছর প্রতিটি বাচ্ছা নিতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। এতে খামারীরা লাভের চেয়ে লোকসান গুনছে। তাই খামারীরা পল্লী বিদ্যুতের হয়রানি ও বাচ্ছার মুল্য বৃদ্ধি থেকে মক্তি পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কৃর্তপক্ষের কাছে জোর দাবী জানায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ